Welcome to rabbani basra

আমার লেখালাখির খাতা

শুরু হোক পথচলা !

Member Login

Lost your password?

Registration is closed

Sorry, you are not allowed to register by yourself on this site!

You must either be invited by one of our team member or request an invitation by email at info {at} yoursite {dot} com.

Note: If you are the admin and want to display the register form here, log in to your dashboard, and go to Settings > General and click "Anyone can register".

টিকা উৎপাদন দ্বিগুণ করার চেষ্টা ভারতের (২০২১)

Share on Facebook

ভারতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ লাখের বেশি মানুষ করোনার টিকা নিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে। দেশটিতে কোভিড–১৯ টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর এক দিনে এটাই সবচেয়ে বেশি মানুষের টিকা নেওয়ার ঘটনা।

গতকাল সোমবার ছিল ভারতে করোনার টিকা প্রদানের ৮০তম দিন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই দিন দেশটিতে ৪৩ লাখ ৯৬৬ জন করোনার টিকা নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৩৯ লাখ ৫০৫ জন। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪ লাখ ৪৬১ জন।

সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ লাখের বেশি মানুষকে করোনার টিকা দেওয়ার ঘটনাকে ‘যুগান্তকারী অর্জন’ বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্য দিয়ে ভারতে করোনার টিকাগ্রহীতার সংখ্যা ৮ কোটি ৩১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে ৭ কোটি ২২ লাখের বেশি ভারতীয় টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন। ভারতে ৪৫ বছর ও তার বেশি বয়সের মানুষকে করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে।

দেশটির সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ভারতে ২৫ কোটির বেশি মানুষের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। শনাক্ত হয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ করোনা সংক্রমিত রোগী। মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি। এর মধ্যে গত এক সপ্তাহে দেশটিতে ৫ লাখ ৪৯ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ শনাক্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের পর ভারতের অবস্থান তৃতীয়। দেশটিতে এখন প্রতিদিনই হু হু করে নতুন রোগী শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুও। করোনার প্রথম ঢেউয়ে দৈনিক সংক্রমণ এক লাখ কখনো হয়নি। অথচ দ্বিতীয় ঢেউয়ে গত সোমবার তা এক লাখ ছাড়িয়েছে।

চিন্তার বিষয় হলো, সংক্রমণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় সরকার ২৪ ঘণ্টা টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সরকারি ও বেসরকারি স্তরে টিকাকেন্দ্রের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। তবে ২৪ ঘণ্টা টিকাদান কর্মসূচি সর্বত্র সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে। কেননা, সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় মুম্বাই, পুনেসহ মহারাষ্ট্রের একাধিক শহর ও রাজধানী দিল্লিতে রাতের বেলা কারফিউ জারি করা হয়েছে।

অর্থনীতির স্বার্থে ব্যাপক লকডাউন আর সম্ভব নয়। অথচ নতুন সংক্রমণ দিন দিন মারাত্মক আকার নিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দেওয়ার একমাত্র উপায় টিকাকরণে জোর দেওয়া। সেই লক্ষ্যে ভারতের প্রতিষেধক উৎপাদন অতিদ্রুত দ্বিগুণ করার চেষ্টা শুরু হয়েছে।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বায়োটেকনোলজি বিভাগ যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জানিয়েছে, আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে ভারতে প্রস্তুত দুটি করোনা প্রতিষেধকের উৎপাদন মাসে ১৪ কোটি করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকারি সূত্রের বরাতে এই খবর জানিয়ে সংবাদমাধ্যম বলেছে, এই সঙ্গে চেষ্টা চলছে চলতি বছরেই টিকার উৎপাদন দ্বিগুণ করার।

পুনের সেরাম ইনস্টিটিউটে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ‘কোভিশিল্ড’ উৎপাদিত হচ্ছে মাসে ৬ কোটি ডোজ। হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেকে ‘কোভ্যাক্সিন’ উৎপাদন হচ্ছে মাসে ৪ কোটি। ৪৫ ঊর্ধ্ব সবাইকে টিকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গেছে। দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসের পরিচালক রণদীপ গুলেরিয়ার মতে, দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে গেলে যত সম্ভব মানুষকে দ্রুত টিকা দেওয়া ছাড়া উপায় নেই। কারণ, বিধিনিষেধ মানানো কঠিন হয়ে পড়ছে। মানুষের ভয়ও তুলনায় কমে গেছে। সেই কারণে টিকা উৎপাদন দ্বিগুণ করার আবশ্যকতার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। উৎপাদন আরও বাড়ানোর জন্য নতুন স্থাপনার ওপরও জোর দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে শুধু উৎপাদন করলেই চলবে না, টিকা সংরক্ষণের ব্যবস্থাও একই সঙ্গে করতে হবে। আপাতত আগস্ট মাসের মধ্যে ১৪ কোটি উৎপাদন বর্তমান ব্যবস্থাতেই সম্ভব।

করোনার প্রথম ঢেউয়ে দৈনিক সংক্রমণ এক লাখ কখনো হয়নি। অথচ দ্বিতীয় ঢেউয়ে গত সোমবার তা হয়ে যায়। মঙ্গলবার অবশ্য সংক্রমণের তীব্রতা (৯৬ হাজার) কিছুটা কম ছিল। তবে চিন্তার বিষয়, সংক্রমণের সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। মৃত্যুহার ৫ শতাংশে পৌঁছে গেছে। সামাল দিতে সরকার ২৪ ঘণ্টা টিকাকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সরকারি ও বেসরকারি স্তরে টিকাকেন্দ্রের সংখ্যাও বাড়ানো হচ্ছে। সোমবার পর্যন্ত দেশে মোট টিকা দেওয়া হয়েছে ৮ কোটি ৩১ লাখ মানুষকে। দৈনিক টিকার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪০ লাখের বেশি।

তবে চব্বিশ ঘণ্টা টিকাকরণ কর্মসূচি সর্বত্র সম্ভব হবে না। মহারাষ্ট্রের একাধিক শহরে নৈশকালীন কারফিউ জারি করা হয়েছে। পাঞ্জাব ও ছত্তিশগড়েও। দিল্লিতেও মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা কারফিউ।

করোনার এই আবহে নতুন চিন্তা পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে। এই রাজ্যের মোট আট দফা ভোটের তৃতীয় দফা শেষ হলো মঙ্গলবার। এখনো বাকি পাঁচ দফার ভোট। অথচ দিন দিন রাজ্যে সংক্রমণ বেড়ে চলেছে। এই অবস্থায় তৃণমূল নেত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, করোনার দোহাই দিয়ে কোনোভাবেই যেন ভোট স্থগিত রাখা না হয়। রাজ্যে প্রথম দুই দফার ভোট হয়েছে বিজেপির প্রভাবাধীন এলাকায়। উত্তরবঙ্গেও বিজেপির ঘাঁটি বেশ মজবুত। বাকি এলাকায় তৃণমূলের প্রভাব বেশি। সংগত কারণেই মমতা চাইছেন না, এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটিয়ে বিজেপির সুবিধা করে দেওয়া হোক। সে জন্য নির্বাচন কমিশনের ওপর তিনি আগে থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখলেন।

সূত্র: প্রথম আলো
তারিখ: ‌এপ্রিল ০৭, ২০২১

রেটিং করুনঃ ,

Comments are closed

,

এপ্রিল ১২, ২০২১,সোমবার

এই সাইট সম্পর্কে

আপনি এখানে আপনার নিজের সম্পর্কে এবং আপনার সাইটের পরিচিতি লিখতে পারেন অথবা আপনার সফলতার গল্প জানাতে পারেন।

নির্বাচিত পোষ্ট

মানুষ যত উপরে উঠবে তত সে ছোট হয়ে যাবে।

চলার পথে পথে নানান কথা - ১ চলার পথের একজন লেখক হয়ে যদি কোথাও লিখে ফেলি বা বলি " মানুষ ...
বিস্তারিত পড়ুন

পাঠাগারের ভিত্তি

একটি বই কেনা, বই মেলা থেকে বই কেনা, টাকা দিয়ে বই কেনা, ব্ইয়ের পাতা উল্টিয়ে উল্টিয়ে দর কষাকষি করে বই ...
বিস্তারিত পড়ুন

Visitors

129867
Users Today : 382
This Month : 12628
This Year : 59622
Total Users : 129867

বিভাগ সমুহ