Welcome to rabbani basra

আমার লেখালাখির খাতা

শুরু হোক পথচলা !

Member Login

Lost your password?

Registration is closed

Sorry, you are not allowed to register by yourself on this site!

You must either be invited by one of our team member or request an invitation by email at info {at} yoursite {dot} com.

Note: If you are the admin and want to display the register form here, log in to your dashboard, and go to Settings > General and click "Anyone can register".

অর্থনীতির গেম চেঞ্জার–১৯; যে ব্যবসায় হাত, সেখানেই ফলেছে সোনা ইউনাইটেড গ্রুপ (২০২১)

Share on Facebook

লেখক: শওকত হোসেন এবং সুজয় মহাজন।

ইউনাইটেড গ্রুপ। দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি শিল্পগ্রুপ। ব্যবসায়িক হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির এ সাফল্যের পুরোটা জুড়েই রয়েছে অকৃত্রিম বন্ধুত্বের গল্প। সেই গল্পের শুরুটা হয়েছিল হঠাৎ করে। ১৯৭৮ সালে। বলতে গেলে শূন্য হাতে। ধারের টাকায়। শুরুতে সঞ্চয় বলতে শুধু ছিল অসীম সাহস, বন্ধুত্বের দৃঢ় বন্ধন আর অক্লান্ত পরিশ্রমের শক্তি। এ তিনে মিলে শূন্য পুঁজিতে ধারের টাকায় শুরু করা সেই কোম্পানি এখন প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার বৃহৎ শিল্পগ্রুপ।

ইউনাইটেড গ্রুপকে চেনেন না এ রকম মানুষ খুব কম আছে নিশ্চয়। যাঁরা চেনেন না, তাঁদের জন্য দুটি তথ্য এখানে উল্লেখ করছি। ইউনাইটেড হসপিটাল ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নিশ্চয় শুনেছেন। আবার সাম্প্রতিক সময়ের চেইন সুপারশপ ইউনিমার্টের সঙ্গে অনেকে পরিচিত। চিকিৎসা, শিক্ষা খাতের স্বনামধন্য দুটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সুপারশপ ইউনিমার্টের উদ্যোক্তা এ ইউনাইটেড গ্রুপ। শিক্ষা, চিকিৎসা ছাড়াও বিদ্যুৎ-জ্বালানি, রেস্টুরেন্ট, আবাসন, হোটেল থেকে শুরু করে বেসরকারি বন্দর, লজিস্টিকসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এ শিল্পগ্রুপ।

১৯৭৮ সালে এটির যাত্রা শুরু হয় চার বন্ধুর হাত ধরে। তাঁরা হলেন গ্রুপটির হাসান মাহমুদ রাজা, আহমেদ ইসমাইল হোসেন, আকতার মাহমুদ রানা ও খোন্দকার মইনুল আহসান শামীম। পরে এসে গ্রুপটির সঙ্গে যুক্ত হন তাঁদের আরও দুই বন্ধু আবুল কালাম আযাদ ও ফরিদুর রহমান খান। আজকের ইউনাইটেড গ্রুপ ছয় বন্ধুর ঐক্যবদ্ধ চেষ্টা, একে অপরের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও হাড়খাটুনি পরিশ্রমেরই ফসল। যে বন্ধুতা হঠাৎ করে কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই শিক্ষার্থী থেকে তাঁদের ব্যবসায়ী করে তুলেছেন।
ব্যবসার শুরু যেভাবে

আড্ডা, গল্পে ভালোই কাটছিল তাঁদের দিন। সবাই তখন শিক্ষার্থী। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ফুটপাতে বসে নিয়মিত আড্ডা ছিল বন্ধুদের। আড্ডায় আড্ডায় একদিন হঠাৎ করে এক বন্ধুর আত্মীয়ের মাধ্যমে প্রস্তাব আসে ঠিকাদারি এক ব্যবসার। ১৯৭৮ সালে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) আমদানি করা পণ্য খালাসের একটি কাজ পায় ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু মূলধন-সংকটের কারণে কাজটি করা সম্ভব ছিল না প্রতিষ্ঠানটির। তাই ঠিকাদারি কাজসহ ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজের লাইসেন্স বিক্রি করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। আর তা কেনার প্রস্তাব আসে আহমেদ ইসমাইল হোসেন, খোন্দকার মইনুল আহসান শামীম, আকতার মাহমুদ রানা ও হাসান মাহমুদ রাজার কাছে। তাৎক্ষণিকভাবেই রাজি হয়ে যান এ চার বন্ধু। ১৯৭৮ সালের ১২ জুলাই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্রাবাসে এক বন্ধুর রুমে বসে ঠিক করেন টিসিবির ঠিকাদারির ব্যবসা তাঁরা শুরু করবেন। সেই থেকে ইউনাইটেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠার দিন হিসেবে উদ্‌যাপন করা হয় ১২ জুলাই।

তরুণ বয়সের তারুণ্যের উন্মাদনায় ব্যবসা শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন চার বন্ধু। কিন্তু গন্ডগোল দেখা দিল ব্যবসার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে। লাইসেন্স কেনা ও টিসিবির ঠিকাদারি কাজটি করতে হলে ব্যাংক গ্যারান্টি দিতে হবে। এবার চার বন্ধু টাকা জোগাড়ের পেছনে ছুটতে লাগলেন। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে যা হয় আরকি। টাকা জোগাড় করতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি। চার বন্ধুর একজন এবং গ্রুপের বর্তমান চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ রাজার এক নিকটাত্মীয়র হাতে তখন ছিল গাড়ি বিক্রির টাকা। সেই টাকা ধার নিয়ে যাত্রা শুরু তাঁদের ব্যবসার।

ট্রাকজীবন

টিসিবির ঠিকাদারি কাজ পেলেন, টাকাও জোগাড় হলো। এবার শুরু মাঠের কাজ। কাজ বলতে টিসিবির আনা পণ্য খালাসের জন্য শ্রমিক সরবরাহ ও বিভিন্ন স্থান থেকে পণ্য খালাস করে তা তেজগাঁওয়ে টিসিবির গুদামে এনে বুঝিয়ে দেওয়া। পথে পণ্যের কোনো হেরফের হলে তার দায়দায়িত্ব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। এ যখন শর্ত, তখন চার বন্ধু মিলে সিদ্ধান্ত নেন, পণ্য খালাস থেকে শুরু করে গুদামে পৌঁছে দেওয়া পুরো কাজে সশরীরে উপস্থিত থাকবেন তাঁরা। পালা করে এ দায়িত্ব পালন করবেন। সেই অনুযায়ী, একজন সব সময় পণ্য খালাসের কাজ তদারক করতেন, অন্যজন ট্রাক ড্রাইভারের পাশে বসে সেই পণ্য পৌঁছে দিতেন টিসিবির গুদামে। রাতের পর রাত কাটে ট্রাকে পণ্য বোঝাই করে তা গুদামে পৌঁছে দিয়ে। কখনো কখনো এ কাজে বিরিয়ানির বিনিময়ে অন্যান্য বন্ধুরও সহায়তা নিয়েছেন।
ঠিকাদারি থেকে রেডিও

টিসিবির ঠিকাদারি ব্যবসার পর চার বন্ধু যুক্ত হন রেডিও স্টেশনে ট্রান্সমিটার সরবরাহের কাজে। এটি ছিল পণ্য সরবরাহের বিপরীতে কমিশন-বাণিজ্য। বুলগেরিয়ায় তৈরি ট্রান্সমিটার এনে তা রেডিও স্টেশনে সরবরাহ করতেন তাঁরা। বিনিময়ে ট্রান্সমিটার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ভালো অঙ্কের কমিশন পেতেন। ট্রান্সমিটার সরবরাহ করার পাশাপাশি ধীরে ধীরে রেডিও স্টেশন তৈরির কাজেও যুক্ত হয় গ্রুপটি তথা চার বন্ধু। ইউনাইটেড গ্রুপের উদ্যোক্তা পরিচালক খোন্দকার মইনুল আহসান শামীম জানান, বাংলাদেশ বেতারের ৭০ শতাংশ স্টুডিও ইউনাইটেড গ্রুপের হাতে তৈরি। ১৯৮১ সাল থেকে টানা ৩০ বছর বাংলাদেশ বেতারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল গ্রুপটি।

১৯৮৩ সালে এসে তাঁরা যুক্ত হন রাসায়নিক সরবরাহের ব্যবসায়। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান কুপারসের এ দেশের ডিলারশিপ নেয় ইউনাইটেড গ্রুপ। সে সময় আরইবিতে বিপুল রাসায়নিকের প্রয়োজন পড়ত। জাহাজে করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাসায়নিক এনে কমিশনের বিপরীতে তা সরবরাহ করত প্রতিষ্ঠানটি। আহমেদ ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘এ ব্যবসা করতে গিয়ে আমরা দেখলাম, পণ্য আনতেই জাহাজ ভাড়া বাবদ বিপুল অর্থ দিতে হচ্ছে। তখন কুপারসকে প্রস্তাব দিলাম আমাদের নিজস্ব উদ্যোগে জাহাজ ভাড়া করে সেই জাহাজে করে পণ্য আনার। প্রথমে এ প্রস্তাবে তারা রাজি হয়নি, পরে আমরা তাদের বললাম, জাহাজে পণ্য আনতে গিয়ে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হলে তার দায় আমরা নেব। পরে আমরা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) সঙ্গে চুক্তি করে কম খরচে রাসায়নিক আনা শুরু করি। তাতে আমাদের বিপুল অর্থ সাশ্রয় হয়। যার ভাগ আমরাই পেয়েছিলাম। এ ব্যবসা করতে গিয়ে আমাদের মাথায় আসে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার হয়ে জাহাজে করে তেল পরিবহন ব্যবসা করা যায়। পরবর্তী সময়ে সেই ব্যবসায় যুক্ত হই আমরা। এ জন্য তেলবাহী জাহাজই কিনে ফেলি একটি। এক যুগ ব্যবহারের পর সেই জাহাজ বিক্রি করেও বিপুল মুনাফা হয়।’

ইউনাইটেড গ্রুপের উদ্যোক্তারা জানান, যে ব্যবসায় তাঁরা হাত দিয়েছেন, সেখানে নিজেরা যুক্ত থেকেছেন। কঠোর পরিশ্রম করেছেন। ভাগ্যও বরাবর তাঁদের সহায় ছিলেন। তাই যে ব্যবসায় হাত দিয়েছেন, সেখানেই সোনা ফলিয়েছেন।

আরও দুই বন্ধুর এক হওয়া

শুরুটা করেছিলেন চার বন্ধু মিলে। ১৯৮৭-৮৮ এসে ইউনাইটেড গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হন আরও দুই বন্ধু। চাঁদপুরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে একটি বাঁধ তৈরিকে কেন্দ্র করে এ দুই বন্ধুর সঙ্গে ব্যবসায়িক যাত্রা শুরু হয়। কাজটি ছিল পানিতে জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলে নদীভাঙন রোধ করা। আগে থেকেই এ ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আবুল কালাম আযাদ ও ফরিদুর রহমান খান। বিশ্বব্যাংকের এ প্রকল্পের কাজ পাওয়ার পর ইউনাইটেড গ্রুপ এ দুজনকে তাদের প্রতিষ্ঠানের অংশীদার করে নেয়। এরপর থেকে ইউনাইটেড গ্রুপ হয়ে যায় ছয় বন্ধুর প্রতিষ্ঠান।

আহমেদ ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘এ কাজ করতে গিয়ে আমরা বেলজিয়াম থেকে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের তিনটি বিমানের কার্গো চার্টার হিসেবে ভাড়া করেছিলাম। বিমানে করে বেলজিয়াম থেকে উন্নত মানের জিও টেক্সটাইল ব্যাগ নিয়ে এসেছিলাম। ওই সময় সংশ্লিষ্টদের কেউই বিশ্বাসই করতে পারেনি, আমরা এটি করব। সবাই ভেবেছিল, অসততার আশ্রয় নিয়ে কাজ বুঝিয়ে দেব। তাই আমরা যখন বিদেশ থেকে বিমানে করে পণ্য আনলাম, তখন বিমানবন্দরে সেসব ব্যাগ সরেজমিনে দেখতে গিয়েছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের তৎকালীন শীর্ষ কর্মকর্তারা। চাঁদপুরের ওই বাঁধ তৈরির পর মিরপুর বেড়িবাঁধের কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিল ইউনাইটেড গ্রুপ।

১৯৯৭ সালে এসে সামিট গ্রুপের সঙ্গে মিলে শুরু করে বিদ্যুতের ব্যবসা। ইউনাইটেড গ্রুপ ও সামিট মিলে প্রতিষ্ঠা করে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড বা কেপিসিএল। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানি বিদ্যুৎ খাতের দেশের প্রথম আইপিপি (ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার) প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৮ সালে এসে কোম্পানিটি বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য রয়েছে তাদের আরেক কোম্পানি, ইউনাইটেড পাওয়ার।
সাফল্যের মূলমন্ত্র ও শক্তি

গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ রাজা বলেন, ‘মানুষ সাধারণত যেসব ব্যবসা করতে চাইত না, আমরা সেসব ব্যবসা করেছি। আমাদের ব্যবসার বড় শক্তি ছিল, যে কাজই যখন করেছি, নিজেরাই সেই কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। কোনো ব্যবসা শুরুর পর ধীরে ধীরে ওই ব্যবসার সবটুকু বোঝার ও আয়ত্তে নেওয়ার চেষ্টা করেছি। এ কারণে আমরা ভালোভাবে দর-কষাকষি করতে পারতাম। অন্যরা যেখানে কম বা সামান্য লাভে বা মার্জিনে পণ্য সরবরাহের ব্যবসা করেছে, সেখানে আমরা বেশি মার্জিনে ব্যবসা করেছি।’

হাসান মাহমুদ আরও বলেন, ‘শুরু থেকে আমরা কখনো ব্যবসার জন্য ব্যাংকঋণনির্ভর ছিলাম না। শুরুতেই ঠিক করেছিলাম, ব্যাংকঋণ নিয়ে আমরা ব্যবসা করব না, যা করব নিজেদের অর্থে। এখন এসে বলতে পারি, এ সিদ্ধান্তই আমাদের এত বড় হতে সহায়তা করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এসে একসঙ্গে আমরা বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছি। এ কারণে কিছু ব্যাংকঋণ করতে হয়েছে। চেষ্টায় আছি সেই অর্থ যত দ্রুত সম্ভব ফিরিয়ে দেওয়ার।’ তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমরা নগদ টাকায় ব্যবসা করি, তাই অনৈতিক পথে ব্যবসা করার কোনো তাগিদ আমাদের ছিল না। এ কারণে অনেক ব্যবসা আমরা একমুহূর্তের সিদ্ধান্তে ছেড়ে দিয়েছি। তার জন্য আমাদের আর্থিক কোনো ক্ষতি হয়নি। আমি মনে করি, নিজেদের আর্থিক সামর্থ্য শক্তিশালী থাকলে তাতে ব্যবসার জন্য অনৈতিক পথ বেছে নিতে হয় না।’
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

সব উদ্যোক্তাকে একসঙ্গে পেয়ে জানতে চেয়েছিলাম, এ গ্রুপকে কোথায় নিয়ে যেতে চান? জবাবে প্রথম প্রজন্মের উদ্যোক্তারা বললেন, সন্তানদের হাতে ভবিষ্যৎ ছেড়ে দিয়েছি। শুধু তাদের বলেছি, কিছু মূল্যবোধের সঙ্গে কখনো সমঝোতা করা যাবে না। ব্যবসায় কখনো কমিটমেন্ট বা প্রতিশ্রুতির বরখেলাপ করা যাবে না। যেকোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে। ব্যাংকঋণনির্ভর ব্যবসা থেকে সব সময় দূরে থাকতে হবে।

দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবসার হাল ধরা মঈন উদ্দিন হাসান রশিদ বলেন, ‘গ্রুপের বিনিয়োগের ৯৫ শতাংশ অর্থই আমরা গ্রুপেই ফিরিয়ে আনব। বাকিটা মুনাফা হিসেবে বিতরণ হবে। ফেরত আনা অর্থ নতুন নতুন ব্যবসায় পুনর্বিনিয়োগ করা হবে। এর বাইরে কিছু অর্থ ট্রাস্টের মাধ্যমে সামাজিক কাজে ব্যয় করা হবে। মঈন উদ্দিন হাসান রশিদ আরও বলেছিলেন, ‘আপনি যে খাতে ব্যবসা করবেন, সে খাতের প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সংগতি রেখেই আপনার ব্যবসার প্রবৃদ্ধি হবে। এটাই নিয়ম। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেশি প্রবৃদ্ধি করতে চাইলে দুটি উপায় আছে। প্রথমটি অসততার পথ বেছে নেওয়া আর দ্বিতীয়টি সম্পদ বেচাকেনার মাধ্যমে বেশি সম্পদ তৈরি করা। আমরা বেশি হারে প্রবৃদ্ধির জন্য দ্বিতীয় উপায়টি বেছে নিয়েছি, তাতে সফলও হয়েছি।’
এখন যেমন

গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতাদের সঙ্গে কথা হয়েছিল গত ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে। এর পর দুনিয়ার অনেক কিছু পাল্টে গেছে। কোভিড-১৯ সংক্রমণ বদলে দিয়েছে অর্থনীতিকেও। আর সত্যিকার অর্থেই প্রথম প্রজন্মের উদ্যোক্তারা তাঁদের সন্তানদের হাতে কোম্পানি ছেড়ে দিয়েছেন। এখন মঈন উদ্দিন হাসান রশিদ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এমডি। হাসান মাহমুদ রাজা গ্রুপের প্রধান উপদেষ্টা। আর উপদেষ্টা হিসেবে আছেন, আহমেদ ইসমাইল হোসেন, খোন্দকার মইনুল আহসান শামীম, আকতার মাহমুদ রানা, আবুল কালাম আযাদ এবং ফরিদুর রহমান খান। আর সন্তানদের মধ্যে পরিচালক হয়েছেন, নাসির উদ্দিন আকতার রশিদ ও মালিক তালহা ইসমাইল বারী। এ ছাড়া সহযোগী পরিচালক পদে আছেন ফাহাদ খান, ওয়াসেকুল আযাদ এবং খোন্দকার জায়েদ আহসান।

সূত্রঃ প্রথম আলো।
তারিখঃ নভেম্বর ২৯, ২০২১

রেটিং করুনঃ ,

Comments are closed

বিভাগসমূহ

Featured Posts

বিভাগ সমুহ