Welcome to rabbani basra

আমার লেখালাখির খাতা

শুরু হোক পথচলা !

Member Login

Lost your password?

Registration is closed

Sorry, you are not allowed to register by yourself on this site!

You must either be invited by one of our team member or request an invitation by email at info {at} yoursite {dot} com.

Note: If you are the admin and want to display the register form here, log in to your dashboard, and go to Settings > General and click "Anyone can register".

নতুন মার্কিন জোট নিয়ে বাংলাদেশকে চীনের সতর্কতা (২০২২)

Share on Facebook

বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং মার্কিন নেতৃত্বাধীন অর্থনৈতিক জোট আইপিইএফ নিয়ে বাংলাদেশকে সতর্ক করেছেন। নতুন এই জোটের বিষয়ে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ বিচক্ষণতার পরিচয় দেবে—এমনটা প্রত্যাশা ঢাকায় চীনের শীর্ষ এই কূটনীতিকের।

আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে চীনের বাজারে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার বিষয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় লি জিমিং এ মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র‌্যাপিড) যৌথভাবে ওই সেমিনারের আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় চীনের সঙ্গে বাণিজ্য-ঘাটতি কমাতে ব্যবসায়ীদের আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, চীনে রপ্তানি বাড়াতে রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণের কোনো বিকল্প নেই। বাণিজ্য সম্প্রসারণে তিনি বিশ্লেষকদের পরামর্শ আমলে নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সেমিনারে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, ‘আমাদের অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা জরুরি। সবাই জানেন, সম্প্রতি খারাপ কিছু ঘটেছে। এ নিয়ে শোরগোল হচ্ছে। আমাদের এই অঞ্চলে ঝুঁকিপূর্ণ কিছু ঘটেছে। অকাস (অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের জোট), কোয়াড (জাপান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট) ও আইপিইএফ (ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নেতৃত্বাধীন অর্থনৈতিক জোট) ছাড়াই এক দশক ধরেই আমরা ভালো করছি। হঠাৎ করে এ বিষয়গুলো এখন আমাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এসব ছাড়াই আমরা আরও ভালো করব। কাজেই আমাদের এসবে যোগ দেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না, তা নিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেদেরই নিতে হবে।’

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এ নিয়ে (মার্কিন উদ্যোগে যোগদান) নিজেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়ে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ যথেষ্ট বিচক্ষণ। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরা বিচক্ষণতার পরিচয় দেবেন। আমরা এ অঞ্চলে শান্তি চাই। আমাদের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। এটা যেকোনো উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের জন্যও এটা প্রযোজ্য।’

চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং আরও বলেন, এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়, কীভাবে চীনে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো যায়। চীনের উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হবে।

সূত্র: প্রথম আলো।
তারিখ: জুন ০৮, ২০২২

রেটিং করুনঃ ,

Comments are closed

বিভাগসমূহ

Featured Posts

বিভাগ সমুহ