Welcome to rabbani basra

আমার লেখালাখির খাতা

শুরু হোক পথচলা !

Member Login

Lost your password?

Registration is closed

Sorry, you are not allowed to register by yourself on this site!

You must either be invited by one of our team member or request an invitation by email at info {at} yoursite {dot} com.

Note: If you are the admin and want to display the register form here, log in to your dashboard, and go to Settings > General and click "Anyone can register".

বিশ্ববাজারের চেয়ে দেশের নিত্যপণ্যের দাম বেশি -সিপিডি

Share on Facebook

দেশের নিত্যপণ্য নিয়ে সিপিডি -বিশ্ববাজারের চেয়ে দাম বেশি

দেশে এক বছর ধরে প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১৪০–১৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি হয়েছে ১২০–১৪০ টাকায়।

ঢাকার একজন শ্রমিকের চেয়ে ২৬ গুণ বেশি বেতন পেলেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিক প্রতি ডজন ডিম কেনেন ৭ টাকা কম দামে।

বাংলাদেশে প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১৪০–১৭০ টাকা, যা বিশ্ববাজারে ১২০–১৪০ টাকা।

ঢাকা শহরে বাস করা একজন শ্রমিক নিজেকে অভাগাই ভাবতে পারেন। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা মালয়েশিয়ার একজন শ্রমিকের চেয়ে কম বেতন পেয়েও তাঁদের চেয়ে বেশি দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনে খেতে হচ্ছে তাঁকে। এমনকি বিশ্ববাজারের চেয়ে দেড় থেকে দ্বিগুণ দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে ঢাকার শ্রমিকটিকে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) তুলনামূলক এক বিশ্লেষণে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, ঢাকা শহরে এখন প্রতি ডজন ডিম ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরে প্রতি ডজন ডিমের দাম ১০৩ টাকা। পণ্য বেশি দামে কিনলেও ঢাকার শ্রমিকের বেতন কিন্তু অনেক কম। যেমন, ঢাকার একজন শ্রমিকের মাসিক গড় বেতন যেখানে মাত্র ১৪৯ ডলার বা ১৩ হাজার টাকা, সেখানে ডেটন শহরে তা ৩ হাজার ৯৫৫ ডলার বা ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা (১ ডলার‍ = ৮৬ টাকা হিসাবে)। ঢাকা শহরের একজন শ্রমিকের চেয়ে ২৬ গুণ বেশি বেতন পেয়েও তাঁর চেয়ে ৭ টাকা কম দামে ডিম কিনে খাচ্ছেন ডেটন শহরের শ্রমিক।

এদিকে মালয়েশিয়ার সাইবার জায়া শহরে ডিমের দাম আরও কম। সেখানে এখন প্রতি ডজন ডিমের দাম ৮৬ টাকা। অথচ ওই শহরের একজন শ্রমিকের মাসিক আয় ৬৬৯ ডলার বা সাড়ে ৫৭ হাজার টাকা, যা ঢাকার একজন শ্রমিকের চেয়ে চার গুণেরও বেশি। এভাবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, স্পেনসহ কয়েকটি দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের সঙ্গে বাংলাদেশে একই পণ্যের দামের একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ করেছে সিপিডি। এমনকি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গেও তুলনা করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, ক্ষেত্রভেদে দেড় থেকে দুই গুণ বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে একজন বাংলাদেশিকে।

দুই দেশের সঙ্গে পণ্যের দামের তুলনা করতে সময় ধরা হয়েছে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ১৪ মার্চ পর্যন্ত। আর বেতন তুলনা করতে সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপের (২০১৭ সাল) তথ্য সংগ্রহ করেছে সিপিডি। সে জরিপে একজন শ্রমিকের বেতনের সঙ্গে অন্য দেশে একই সময়ে করা শ্রমশক্তি জরিপের তথ্যের সমন্বয় করা হয়েছে। গতকাল রোববার এই তুলনামূলক পর্যালোচনা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সিপিডি।

মূল্যস্ফীতির জাঁতাকল থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)

রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। ‘পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন দেশে’ শিরোনামে আয়োজিত এক সভায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পরিস্থিতি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত, ব্যাংকিং খাত, বাজেট ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম তামিম, সিপিডির বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান ও সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ঢাকায় ১৩ হাজার টাকা বেতন পাওয়া একজন শ্রমিককে এখন প্রতি কেজি পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে ৫৫ টাকা দিয়ে। অথচ সার্বিয়ার বেলগ্রেডে ২৯ হাজার টাকা বেতনধারী একজন শ্রমিক প্রতি কেজি পেঁয়াজ কিনছেন ৪১ টাকায়। আর আজারবাইজানের বাকু শহরে সাড়ে ২৬ হাজার টাকা পাওয়া একজন শ্রমিক একই পরিমাণ পেঁয়াজ কিনছেন ৩৭ টাকায়।

সিপিডি বলছে, বর্তমানে স্পেনের মালাগায় প্রতি লিটার তরল দুধ বিক্রি হচ্ছে ৬৩ টাকা, যা চেক প্রজাতন্ত্রের অস্ত্রাভাতে ৬২ টাকা। অথচ বাংলাদেশে প্রতি লিটার তরল দুধের দাম ৮০ টাকা। স্পেনের মালাগায় একজন শ্রমিকের মাসিক বেতন ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থাটি জানায়, গত এক বছরে বাংলাদেশে গরুর মাংস ৫৮০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। একই সময়ে তা বিশ্ববাজারে বিক্রি হয়েছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। দেশে যে চিনি ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে, তা বিশ্ববাজারে পণ্যটির দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। একই সময়ে বাংলাদেশে প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১৪০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অথচ আন্তর্জাতিক বাজারে তা বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়। একইভাবে দেশে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। আর থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে সমমানের চাল বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়।

তবে বাংলাদেশে একটি পণ্যের দাম তুলনামূলক বাড়েনি। সেটি হলো সিগারেট। ২০ শলাকার এক প্যাকেট মার্লবোরো সিগারেটের দাম ঢাকায় যেখানে ৩০০ টাকা, সেখানে তা অস্ট্রেলিয়ার পার্থে ২ হাজার ৫১৬ টাকা, নিউজিল্যান্ডের হ্যামিল্টনে ২ হাজার ১০৩ টাকা, যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টলে ১ হাজার ৪৬৪ টাকা, নরওয়ের অসলোতে ১ হাজার ৩৪৬ টাকা ও যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে ১ হাজার ২৮৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে অসমতা আরও বাড়বে। তাই সরকারের উচিত, সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা। ফাহমিদা খাতুন বলেন, যত দ্রুত সম্ভব নিত্যপণ্যের লাগাম টেনে ধরতে হবে।

জাহিদ হোসেন বলেন, এখন সবচেয়ে বড় চিন্তার কারণ মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি। নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতিতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। করোনার সময়েও তারাই বিপাকে পড়েছিল।

সূত্র: প্রথম আলো।
তারিখ: মার্চ ২১, ২০২২

রেটিং করুনঃ ,

Comments are closed

বিভাগসমূহ

Featured Posts

বিভাগ সমুহ